,
সংবাদ শিরোনাম :
» « দেখিয়ে দাও তুমি কেন এক নম্বর, সাকিবকে রোডস» « অবশেষে ধ্যান ভেঙে গুহা ছাড়লেন মোদি» « যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে বেইজিংয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী» « বাগেরহাটে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা, নিহত ৫» « জ্যান্ত কবর দেয়া শিশুকে মাটি খুঁড়ে উদ্ধার করলো কুকুর» « রাজধানীতে পৃথক অভিযানে অজ্ঞানপার্টির ২৩ সদস্য আটক» « আয়ারল্যান্ডকে উড়িয়ে বাংলাদেশের ফাইনাল ‘প্রস্তুতি’» « ময়মনসিংহ মেডিক্যালের ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি, ফটকে তালা ঝুলিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ» « দেশের পথে ওবায়দুল কাদের» « প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ১৭ অভিযুক্ত পাওয়া গেলো ছাত্রলীগের কমিটিতে

শিগগিরই হচ্ছে বিএনপির উপ-কমিটি

দীর্ঘ ছয় বছর পরে ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলে বিএনপির নেওয়া নতুন সিদ্ধান্তের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলো ‘এক নেতার এক পদ’ ও মন্ত্রণালয় ভিত্তিক ‘উপ-কমিটি’ গঠন। দফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও দুয়েকটি ব্যতিক্রম ঘটনা ছাড়া এরই মধ্যে ‘এক নেতার এক পদ’ সিদ্ধান্ত মোটামুটি বাস্তবায়িত হয়েছে বিএনপিতে।

কিন্তু কাউন্সিলের প্রায় ১০ মাস পেরিয়ে গেলেও উপ-কমিটি গঠন করা সম্ভব হয়নি দলটির পক্ষে। এ নিয়ে পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। নানা মাধ্যমে তারা জানার চেষ্টা করছেন কবে নাগাদ আসবে বিএনপির উপ-কমিটি ঘোষণা।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, পদপ্রত্যাশীদের এই উৎকণ্ঠা শিগগিরই দূর হবে। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি জানুয়ারি মাসেই উপ-কমিটি ঘোষণা করবে বিএনপি।

bnp-logoসূত্রমতে, গত বছরই উপ-কমিটি গঠনের কাজটি সেরে ফেলতে চেয়েছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ৬ আগস্ট দলের নির্বাহী কমিটি ঘোষণার পর বাইরে থাকা নেতাদের অন্তর্ভুক্ত করে উপ-কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেন তিনি।

সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পযর্ন্ত এ প্রক্রিয়া অব্যাহত ছিলো। এ তিন মাসে কয়েক হাজার সিভি এসেছে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী’র হাতে।

এসব নেতাদের বেশিরভাগই মূল কমিটিতে সম্পাদক বা সহ-সম্পাদক পদের জন্য আগ্রহী ছিলেন। কিন্তু সেখানে পদ না হওয়ায় মন্ত্রণালয় ভিত্তিক অর্থ ও পরিকল্পনা, জনস্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, নারী ও শিশু, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, শিল্প ও বাণিজ্য, বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি, আইন-শৃঙ্খলা ও বিচার ব্যবস্থা, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন প্রতিরক্ষা, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন, যুব উন্নয়ন, শ্রম ও প্রবাসী কল্যাণ, যোগাযোগ ও গণপরিবহণ, শক্তি ও খনিজ সম্পদ, গবেষণা, মানবধিকার, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, মুক্তিযুদ্ধ, ক্ষুদ্র ঋণ, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি, সুশাসন ও জনপ্রশাসন, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং জাতীয় সংহতি ও এথনিক মাইনোরিটি বিষয়ক উপ-কমিটিতে সহ-সম্পাদক পদের জন্য তদবির শুরু করেন এসব নেতারা।

মূল কমিটিতে পদবঞ্চিত এসব নেতার ‘চাওয়া’-কে শ্রদ্ধা দেখিয়ে ডিসেম্বরেই উপ-কমিটি ঘোষণার চিন্তা-ভাবনা করেছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন। দায়িত্বশীল নেতাদের হাতে জমা পড়া সিভি একত্রে যাচাই-বাছাইয়ের কাজও শুরু হয়েছিলো।

কিন্তু নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ততা শুরু হওয়ায় ডিসেম্বরে উপ-কমিটি গঠনের কাজ কিছু দিনের জন্য স্থগিত রাখতে হয় বিএনপি প্রধানকে। ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে  দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছিলেন, ‘নাসিক নির্বাচনের পরই উপ-কমিটি গঠন করে ফেলবো’।

সূত্রমতে, এমনটিই ইচ্ছা ছিলো দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার। কিন্তু উপ-কমিটি করতে গিয়ে তিনি পড়েন ‘মধুর’ যন্ত্রণায়! ২৩টি উপ-কমিটির ২৩০টি সহ-সম্পাদক পদের বিপরীতে জমা পড়া কয়েক হাজার সিভির মধ্যে কাকে রেখে কাকে বাদ দেবেন- তা ঠিক করতে পারছিলেন না তিনি।

তাছাড়া কোন ধরনের লোকদের দিয়ে উপ-কমিটি করবেন সে বিষয়টি নিয়েও দ্বিধায় পড়ে যান বিএনপি প্রধান। মন্ত্রণালয় ভিত্তিক এক্সপার্ট বা বিশেষজ্ঞদের নিয়ে উপ-কমিটি করবেন, নাকি দীর্ঘদিন ধরে দলকে সার্ভিস দেওয়া ত্যাগী নেতাদের নিয়ে করবেন- তা নিয়ে দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ছিলেন তিনি।

অবশেষে এই দুয়ের সমন্বয় করেই গঠন করা হচ্ছে বিএনপির উপ-কমিটি। তবে কমিটিতে ৮০ ও ৯০ দশকের ছাত্রনেতাদের প্রাধান্য থাকছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএনপির এক শীর্ষ নেতা  বলেন, ৮০ ও ৯০ দশকের অনেক ছাত্রনেতা আছেন, যারা মূল কমিটিতে জায়গা পাননি। কিন্তু দলের জন্য তাদের ত্যাগ-তিথিক্ষার কথা বেমালুম ভুলে যাননি বিএনপি চেয়ারপারসন। উপ-কমিটির বেশিরভাগ পদেই দেখা যাবে তাদের। সূত্র : বাংলানিউজ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

WP2FB Auto Publish Powered By : XYZScripts.com