,
সংবাদ শিরোনাম :
» « দেখিয়ে দাও তুমি কেন এক নম্বর, সাকিবকে রোডস» « অবশেষে ধ্যান ভেঙে গুহা ছাড়লেন মোদি» « যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে বেইজিংয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী» « বাগেরহাটে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা, নিহত ৫» « জ্যান্ত কবর দেয়া শিশুকে মাটি খুঁড়ে উদ্ধার করলো কুকুর» « রাজধানীতে পৃথক অভিযানে অজ্ঞানপার্টির ২৩ সদস্য আটক» « আয়ারল্যান্ডকে উড়িয়ে বাংলাদেশের ফাইনাল ‘প্রস্তুতি’» « ময়মনসিংহ মেডিক্যালের ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি, ফটকে তালা ঝুলিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ» « দেশের পথে ওবায়দুল কাদের» « প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ১৭ অভিযুক্ত পাওয়া গেলো ছাত্রলীগের কমিটিতে

বার্সেলোনাকে ৪ গোলে হারিয়ে ফাইনালে লিভারপুল

 

ফাইনালে বার্সেলোনার ওঠাটা ছিল যেন কেবলই সময়ের ব্যাপার। প্রথম লেগ ৩-০ গোলের জয়ে তারা ছিল নির্ভার, তাছাড়া লিভারপুলের মতো লিগ জেতার কোনও চাপ ছিল না। লা লিগা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আগেই, দলেও ছিল না কোনও খেলোয়াড়ের অভাব। কিন্তু সবাইকে অবাক করে প্রাণবন্ত ও শক্তিশালী বার্সার জালেই চারবার বল জড়িয়ে ফাইনালে উঠেছে লিভারপুল।</

মোহাম্মদ সালাহ ও রবের্তো ফিরমিনো দলে না থাকায় ধুঁকছিল লিভারপুল। তাদের পক্ষে বাজি ধরার লোক খুব একটা ছিল না। কিন্তু চমকে দিলো তারাই। নিজেদের রক্ষণ অপ্রতিরোধ্য রাখার পাশাপাশি গুনে গুনে চার গোল দিলো স্বাগতিকরা। দুই লেগে ৪-৩ গোলের অগ্রগামিতায় উঠে গেলো ফাইনালে।

অবিশ্বাস্য জয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠলো লিভারপুল। গতবার রিয়াল মাদ্রিদের কাছে শিরোপা হারানো দলটি এবার লড়বে ডাচ চমক আয়াক্স কিংবা টটেনহাম হটস্পারের বিপক্ষে।

একটি-দুটি নয়, বার্সেলোনার মাঠে ৩-০ গোলে প্রথম লেগ হেরেছিল লিভারপুল। তারপরও ফাইনালে ওঠার ব্যাপারে দলকে উজ্জীবিত রেখে গেছেন কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপ। যদিও অ্যানফিল্ড স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় লেগে তাদের বিপক্ষে বাজি ধরা লোক ছিল হাতে গোনা। দিন শেষে তাদেরই হলো জয়।

গতবারের মতো দুর্ভাগ্য বরণ করে এই চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে বিদায় নিলো বার্সা। গত বছর কোয়ার্টার ফাইনালেও ন্যু ক্যাম্পে রোমাকে ৩-০ গোলে প্রথম লেগে হারায় তারা, কিন্তু দ্বিতীয় লেগে দুর্দান্ত জয়ে তাদের বিদায় করে ইতালিয়ান ক্লাব।

শুরু থেকে বার্সাকে চেপে ধরে লিভারপুল। মাত্র ৭ মিনিটে এগিয়ে যায় তারা। জর্ডান হেন্ডারসনের প্রচেষ্টা মার্ক আন্দ্রে টের স্টেগেন ঠেকালেও ফিরতি শটে গোলমুখ খোলেন ওরিগি।

এক গোলে পিছিয়ে পড়ার পর বেশ কয়েকটি সুযোগ নষ্ট করে বার্সা। দারুণ সব সেভে তাদের সমতায় ফিরতে দেননি লিভারপুল গোলরক্ষক আলিসন। চমৎকার ডাইভে ফিলিপ্পে কৌতিনিয়োকে ফেরান তিনি এবং দুইবার লিওনেল মেসিকে ব্যর্থ করেন।

প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার কয়েক সেকেন্ড আগে আবারও পরীক্ষা দিয়ে সফল হন আলিসন। মেসির কাউন্টার অ্যাটাক থেকে জোর্দি আলবার শট ফেরান তিনি। প্রথমার্ধের বিরতিতে রবার্টসনের বদলি নামেন উইনালডাম। চোখের পলকে দুটি গোল করে লড়াইয়ে সমতা ফেরান তিনি।

বার্সার আলবার ভুলে ক্রস থেকে ৫৪ মিনিটে টের স্টেগেনকে পরাস্ত করেন উইনালডাম। দুই মিনিট পর জারদান শাকিরির ভাসিয়ে দেওয়া ক্রসে তিনিই করেন দ্বিতীয় গোল। ১২২ সেকেন্ডের ব্যবধানে দুটি গোল বড় ধাক্কাই দিয়েছিল বার্সাকে। আর এখানেই শেষ নয়। ৭৯ মিনিটে আলেক্সান্দার আরনল্ডের কর্নার থেকে অতিথিদের ক্লান্ত ডিফেন্স চিড়ে চতুর্থ গোল করেন ওরিগি।

ফাইনালে লিভারপুলের প্রতিপক্ষ চূড়ান্ত হবে বুধবার আয়াক্স ও টটেনহামের লড়াই শেষে। ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে ইংলিশ ক্লাবকে স্বাগত জানাবে ডাচ ক্লাব। ইএসপিএনএফসি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

WP2FB Auto Publish Powered By : XYZScripts.com