,
সংবাদ শিরোনাম :
» « দেখিয়ে দাও তুমি কেন এক নম্বর, সাকিবকে রোডস» « অবশেষে ধ্যান ভেঙে গুহা ছাড়লেন মোদি» « যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে বেইজিংয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী» « বাগেরহাটে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা, নিহত ৫» « জ্যান্ত কবর দেয়া শিশুকে মাটি খুঁড়ে উদ্ধার করলো কুকুর» « রাজধানীতে পৃথক অভিযানে অজ্ঞানপার্টির ২৩ সদস্য আটক» « আয়ারল্যান্ডকে উড়িয়ে বাংলাদেশের ফাইনাল ‘প্রস্তুতি’» « ময়মনসিংহ মেডিক্যালের ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি, ফটকে তালা ঝুলিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ» « দেশের পথে ওবায়দুল কাদের» « প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ১৭ অভিযুক্ত পাওয়া গেলো ছাত্রলীগের কমিটিতে

খুলনায় ২৩০টি ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান, শঙ্কায় শিক্ষার্থী-অভিভাবকরা

  1. খুলনার ২৩০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এসব ভবনে ঝুঁকি নিয়েই চলছে পাঠদান। দুর্ঘটনা শঙ্কা থাকলেও নিরুপায় হয়ে এসব ভবনে ক্লাস করতে বাধ্য হচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। এতে করে চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন অভিভাবকরাসংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া তথ্যে জানা যায়, খুলনা মহানগরী ও জেলার ৯টি উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে এক হাজার ২৯৯টি। যার মধ্যে ২৩০টি ঝুঁকিতে রয়েছে। সদর থানায় ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ের সংখ্যা ২৯টি। এছাড়া কয়রা উপজেলায় ১৪২টির মধ্যে ২৯টি, ডুমুরিয়ায় ২১৪টির মধ্যে ৫৭টি, তেরখাদায় ১০২টির মধ্যে ২৫টি, দাকোপে ১১৯টির মধ্যে ১২টি, দিঘলিয়ায় ১৫০টির মধ্যে চারটি, পাইকগাছায় ১৬৭টির মধ্যে ২৩টি, ফুলতলায় ৫৫টির মধ্যে ১৮টি, বটিয়াঘাটায় ১৫৫টির মধ্যে ২০টি, রূপসায় ৬৮টির মধ্যে ১৩টি স্কুল ভবনকে অতিঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে জেলা শিক্ষা অফিস।
    শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, খুলনা মহানগরীতে ১২৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২০টি অতি জরাজীর্ণ ও ঝুকিপূর্ণ। যার কয়েকটি বন্ধ রয়েছে। বন্ধ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের পাঠদান পার্শ্ববর্তী প্রতিষ্ঠানে করাতে বাধ্য হয়েছে জেলা শিক্ষা অফিস। সোনাডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি অতিঝুঁকিপূর্ণ। তাই এই স্কুলের শিক্ষার্থীদের সোনাডাঙ্গা আবু বক্কর খান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়ে ক্লাস করানো হয়। কিন্তু এই স্কুলটিও অতি ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় রয়েছে।
    খুলনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এএসএম সিরাজুদ্দোহা বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের তালিকা অধিদফতরে পাঠানো হয়েছে। এখন বিদ্যালয়গুলোর বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, সেটা অধিদফতরের বিষয়।’ তিনি বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ স্কুল দেখভাল করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর। অতি ঝুঁকিপূর্ণ স্কুলের মধ্যে কিছু স্কুলকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এসব স্কুলের পাঠদান অন্য স্কুলের সঙ্গে একত্রে নেওয়া হয়।সরকারি এই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছা. খালেদা খানম বলেন, ‘অবকাঠামোর অবস্থা খুবই নাজুক। ১৯৬৭ সালে নির্মিত ভবনগুলোকে জরুরি ভিত্তিতে পারত্যক্ত ঘোষণা করে নতুন ভবন নির্মাণ এখন সময়ের দাবি। বিষয়টি অবহিত করে সংশ্লিষ্ট দফতরে একাধিকবার চিঠি পাঠানো হয়েছে। কিন্তু দৃশ্যমান কোনও প্রতিকার দেখা যাচ্ছে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে শিক্ষার আধুনিকায়ন চলছে। অথচ ভবনের ক্ষেত্রে পুরাতন সেই অবকাঠামো রয়ে গেছে।’

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পুরাতন ভবন সংস্কার করা হচ্ছে। অডিটরিয়াম ভবনসহ ঝুঁকিপুর্ণ ভবন কনডেম ঘোষণার জন্য জেলা প্রশাসক কমিটি গঠন করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

WP2FB Auto Publish Powered By : XYZScripts.com