আজ শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে রংপুর বিভাগ ও পাঁচ অঞ্চলে

Posted by কোয়ালিটি টিভি বাংলা

আজ শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে রংপুর বিভাগ ও পাঁচ অঞ্চলে। এদিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
শনিবার (২ জানুয়ারি) সকালে আবহাওয়া অধিদফতর এ তথ্য জানিয়েছে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর বিভাগ, নওগাঁ, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, পাবনা ও শ্রীমঙ্গল অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

এদিকে আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। অপরিবর্তিত থাকতে পারে সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা। আগামী ৩ দিনের রাতের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে।

তেঁতুলিয়ায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। শনিবার সকালে আবহাওয়া অধিদফতর এ তথ্য জানিয়েছে। এছাড়াও রংপুর বিভাগ ও পাঁচ অঞ্চলে আজ শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

উপ-মহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

কুড়িগ্রাম: মাঘের হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। সবচেয়ে বিপাকে পড়েছে চর-দ্বীপচর ও নদীর তীরবর্তী এলাকার মানুষ। কুড়িগ্রাম কৃষি বিভাগ ও রংপুর আবহাওয়া কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কুড়িগ্রাম অঞ্চলে গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এ অঞ্চলে বর্তমানে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইছে। এ অবস্থা আরও দুই থেকে তিন দিন থাকতে পারে। জেলা প্রশাসক এ বি এম আজাদ জানান, এ জেলায় ঠান্ডার মাত্রা আবারও বেড়ে গেছে।

নীলফামারী: কয়েক দিনের হাড়কাঁপানো কনকনে শীতে জবুথবু হয়ে পড়েছে নীলফামারী জেলার মানুষ। শীতের কারণে কাজে যেতে না পারায় পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন স্বল্প আয়ের দিনমজুর ও কৃষি শ্রমিকেরা।  সৈয়দপুর আবহাওয়া কার্যালয় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে। গত তিন দিন ধরে এ অঞ্চলে তাপমাত্রা ১০ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওঠা–নামা করছে।

বদরগঞ্জতারাগঞ্জ : তীব্র শীতে কাঁপছে রংপুরের বদরগঞ্জ ও তারাগঞ্জ উপজেলার মানুষ। গত শুক্রবার থেকে গতকাল সোমবার পর্যন্ত চার দিন সূর্যের মুখ দেখা যায়নি।